Academy

১. বিপু ও জয়নাল দুই জনই উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরে পড়াশোনা করে। তাদের আইসিটি শিক্ষক -“বিশ্বের পরিচ্ছন্ন শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থায় ব্যবহৃত প্রযুক্তি ঢাকায় ব্যবহার” বিষয়ে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করতে দিলেন। বিপু কলেজ লাইব্রেরি এবং অন্যান্য লাইব্রেরিতে বসে বই পড়ে এবং ইন্টারনেট থেকে তথ্য সংগ্ৰহ করে অ্যাসাইনমেন্ট তৈরি করল। অ্যাসাইনমেন্টে সে সকল তথ্যসূত্র উল্লেখ করল। জয়নাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সিনিয়র ভাইয়ের অ্যাসাইনমেন্ট ইন্টারনেট থেকে নিয়ে কিছুটা পরিবর্তন করে জমা দিল। জয়নালের অ্যাসাইনমেন্ট দেখে আইসিটি শিক্ষকের বুঝতে অসুবিধা হলো না এটি কপি করা।

Ans :

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হল কম্পিউটার সিমুলেশন এর সাহায্যে তৈরি ত্রিমাত্রিক পরিবেশ যা ব্যবহার কারীদের কাছে সত্য ও বাস্তব বলে মনে হয় একে সিমুলেশনের পরিবেশ ও বলা হয় কম্পিউটার প্রযুক্তি ও কোন করণ বিধায় প্রয়োগ কৃত্রিম পরিবেশকে এমন ভাবে তৈরি ও উপস্থাপন করা হয় যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য বাস্তব বলে মনে হয়।

2 years ago

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: বিশ্ব ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত

অতীতের শিল্পবিপ্লবের অনুরূপ এই মুহূর্তে আমরা একটি শিল্পবিপ্লবের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি যে ৰিপ্পৰটিকে আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির বিপ্লব বলে আখ্যায়িত করতে পারি। এই বিপ্লনটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যে এটি পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষের জীবনধারাকে স্পর্শ করেছে। পুরো পৃথিবীর সকল মানুষ প্রথমবার পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সহমর্মিতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি অভিন্ন মানবগোষ্ঠী হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করার সুযোগ পেয়েছে।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে শিক্ষার্থীরা-

  • বিশ্বগ্রামের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • বিশ্বগ্রামের ধারণা-সংশ্লিষ্ট প্রধান উপাদানগুলো ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অবদান মূল্যায়ন করতে পারবে;
  • ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধারণা বিশ্লেষণ করতে পারবে:
  • প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারবে :
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাম্প্রতিক প্রবণতা বিশ্লেষণ করতে পারবে
  • তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে নৈতিকতা বজায় রাখার পুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারবে;
  • সমাজ জীবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রভাব মূল্যায়ন করতে পারবে :
  • অর্থনৈতিক উন্নয়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ভূমিকা বিশ্লেষণ করতে পারবে
  • মূল্যবোধ বজায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হবে।

 

 

Content added By

Related Question

View More

রোবোটিক্স (Robotics) হল বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের এমন একটি শাখা যেখানে রোবট তৈরির নকশা, নির্মাণ, কার্যক্ষমতা ও প্রোগ্রামিং নিয়ে কাজ করা হয়। এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ইলেকট্রনিক্স, মেকানিক্স এবং কম্পিউটার সায়েন্সের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রযুক্তি।

রোবোটিক্সের প্রধান অংশ

১. যান্ত্রিক নকশা (Mechanical Design) – রোবটের শরীর বা কাঠামো গঠনের জন্য মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করা হয়।

২. ইলেকট্রনিক্স (Electronics) – সেন্সর, মোটর ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপাদানের সাহায্যে রোবটকে কার্যক্ষম করা হয়।

৩. প্রোগ্রামিং (Programming) – সফটওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোবটের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

রোবোটিক্সের ব্যবহার

শিল্প কারখানা: স্বয়ংক্রিয় মেশিনের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো হয়।

স্বাস্থ্যসেবা: সার্জারি রোবট ও চিকিৎসা সহায়তা রোবট ব্যবহার করা হয়।

গবেষণা ও মহাকাশ: মহাকাশ অনুসন্ধানে রোবটিক যান (যেমন, NASA-র মার্স রোভার) ব্যবহৃত হয়।

সেনাবাহিনী: সামরিক ড্রোন ও যুদ্ধক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য রোবট ব্যবহৃত হয়।

রোবোটিক্স দ্রুত উন্নতি করছে এবং ভবিষ্যতে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠবে।

4 ক. রোবটিক্স কি?

Created: 3 years ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

বিজ্ঞান ইঞ্জিনিয়ারিং উপযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে বিষয়টি উপর রোবটের  ধারণা নকশা উৎপাদন কার্যক্রম কিংবা সাধারণ বাস্তবায়ন করতে পারে তাই হচ্ছে রোবোটিক্স।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণকে বোঝায়। ডিজিটাল বাংলাদেশ ধারণাটির মূল বিষয় হলো সব ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার দেশের শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র্য মোচনের ব্যবস্থা করা। বর্তমান সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...